Crypto Terms

T-1: Crypto

Crypto হল cryptocurrency এর শর্ট ফর্ম। সংক্ষেপে cryptocurrency লিখতে crypto ব্যবহার করা হয়।

T-2: PoW

PoW হল Proof of Work. এর অর্থ হল এই কয়েন মাইনিং এর মাধ্যমে উৎপন্ন হয় এবং মাইনিং করতে গ্রাফিক্স কার্ড বা মাইনার ব্যবহার করতে হয়।

T-3: PoS

PoS হল Proof of Stake. এর মানে হল এটা ব্যবহার করতে মাইনার লাগে না। শুধু ওয়ালেট রানিং রাখলেই স্টেক জমা হতে থাকে। মানে কয়েন জেনারেট হতে থাকে।

T-4: Wallet

Wallet হল ডিজিটাল মানিব্যাগ। যেখানে আপনি আপনার কয়েন ষ্টোর করতে পারবেন। এবং এখান থেকে অন্য কাউকে বা অন্য এক্সচেঞ্জ এ পাঠাতে পারবেন। wallet অনেক প্রকারের হয়। যেমনঃ web wallet, desktop wallet, hardware wallet.

Web wallet অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়। এবং এটা ব্যবহার করতে শুধু অ্যাকাউন্ট খুললেই চলে।

Desktop wallet এটা পিসি দিয়ে রান করাতে হয় এবং এটা আপনাকে ডাউনলোড করে সিঙ্ক্রোনাইস করতে হয় ব্যবহারের পূর্বে।

Hardware wallet এটা পেনড্রাইভের মত। ইউএসবি দিয়ে কানেক্ট করতে হয়।

Paper wallet এই ওয়ালেট আপনি কাগজে প্রিন্ট করে সংরক্ষন করতে পারবেন। সবচেয়ে সিকিউর ওয়ালেট হল পেপার ওয়ালেট।

T-5: Nodes

Nodes হল কানেকশন যা সকল রানিং ওয়ালেটে ডাটা সেন্ড করতে থাকে কোন ব্লক জেনারেট হওয়া মাত্রই।

T-6: Swap

Swap মানে হল এক ব্লকচেনের কয়েক দিয়ে নির্দিষ্ট রেশিও তে অন্য নতুন ব্লকচেনের কয়েন সংগ্রহ করা। যেমন ধরি ২টা চেন একটা চেন A এবং অপরটি চেন B. ধরি swap ration 100:1 তার মানে আপনি পুরাতন A চেনের ১০০ কয়েন এর জন্য নতুন B চেনের ১ টি কয়েন পাবেন।

T-7: Fork

Fork হল যখন কয়েন ডেভেলপার ব্লক চেনের কার্য বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করতে চায় তখন সে সফটওয়্যার আপডেট করে। এই আপডেট এর কারনে অনেক সময় একই কয়েন ভিন্ন বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলাদা ব্লকচেইন তৈরি করে। এই প্রসেস কে ফর্ক বলা হয়।

T-8: Network Weight

এর মানে হল আপনার স্টেক করা কয়েন নেটোওার্কের উপর কতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারবে স্টেক রিওয়ার্ড জেনারেট করতে।

T-9: Stake

Stake Reward এর সংক্ষিপ্ত রূপ।

T-10: Stake Reward

কোন কয়েন স্টেক করলে যে অতিরিক্ত কয়েন জমা হয় তাকেই Stake Reward বলে।

T-11: Staking

স্টেকিং হল মাইনিং এর বিকল্প ব্যবস্থা। সহজ ভাষায় এই পদ্ধতিতে ওয়ালেটে কয়েন রাখাতে তার উপর কয়েন স্টেক হতে থাকে। তাই এই প্রসেসকে স্টেকিং বলা হয়। আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের স্টেকিং এর টিউটোরিয়ালটি পড়ুন।

**স্টেকিং করার জন্য অনলাইনে বেষ্ট সাইট হল Stakecube. ছোট এবং কমদামী কয়েন স্টেক করতে বেষ্ট সাইট CoinStake ও StakeCenter.

T-12: Mining

বিটকয়েনকে কম্পিউটার জগতের গোল্ড হিসাবে ধরা হয়। আর আমরা সবাই জানি যে গোল্ড খনি থেকে খনন করা হয়। বিটকয়েনের ক্ষেত্রেও অনেক ক্রিপ্টোগ্রাফিক ডাটা এনালাইসিস করে ব্লক জেনারেট করা হয় যার তুলনা খনির খননের সাথে করা যেতে পারে। অসংখ্য ক্রিপ্টোগ্রাফিক ডাটা এনালাইসিস করে জেনারেট করায় এই প্রসেস কে মাইনিং বলা হয়।

T-13: Stable Coins

স্টেবল কয়েন মানে হল যে সকল কয়েনের দাম সব সময় একই থাকবে। এসকল কয়েন তৈরীর মূল কারন হল মার্কেটে স্টেবলিটি প্রভাইড করা। কিছু স্টেবল কয়নের নাম হলঃ USDT, TUSD, USDC, PAX, BUSD ইত্যাদি।

T-14: Minted Coins বা Mint

স্টেকিং এ নতুন কয়েন জেনারেট হলে তাকে মাইন বলে না বলা হয় মিন্ট বা মিন্টেড কয়েন।

T-15: Block Maturity

এর অর্থ হল ওয়ালেটে কয়েন ডিপোজিট করার কত ব্লক পর থেকে স্টেক পাওয়ার সম্ভবনা থাকবে।

T-16: Blockchain Synchronization

এর অর্থ হল কোন ওয়ালেট ডাউনলোড করে সেটাপ করার পর ওই কয়েনের সম্পূর্ন ব্লকচেইন আপনাকে ডাউনলোড করতে হবে যাতে ওয়ালেট কয়েন ডিপোজিট বা উইথড্র করতে পারে কয়েন। এই ব্যপারে বিস্তারিত জানতে আমাদের Node এর উপর বানানো টিউটোরিয়ালটি দেখুন।

T-17: Stake Pool

স্টেক পুল হল অনলাইনে স্টেক করার ওয়েবসাইট। যেখানে অনেক ইউজার ছোট ছোট ডিপোজিট করে একটা বড় ইনভেষ্টমেন্ট তৈরী করে যাতে সকলেই অল্প কয়েন দিয়েও স্টেক করতে পারে। এর কিছু উদাহরন হলঃ Stakecube, CoinStake, StakeCenter.

T-18: Mining Pool

কয়েনের ডিফিকাল্টি অনেক বেশি হওয়ার কারনে মাইনারদের পক্ষে একা মাইন করা সম্ভব হয় না। তাই তারা তাদের সকল হ্যাশ পাওয়ার একত্রিত করে মাইন করে এবং ব্লক জেনারেট করে। এই সাইটকে বলা হয় মাইনিং পুল।

T-19: Hash বা Hash Power

হ্যাশ বা হ্যাশ পাওয়ার হল মাইনিং করার ক্ষমতা। কোন মাইনারের হ্যাশ পাওয়ার যত বেশি সে তত বেশি পরিমানে কয়েন মাইন করতে পারবে।

T-20: FUD

Fear, Uncertainty, Doubt. এর মানে হল কোন কারনে মনে ভয় বা সংসয় তৈরি হওয়া কোন কয়েনের ব্যাপারে। সাধারনত মার্কেটে দামের মুভমেন্ট করানোর জন্য ট্রেডারদের কাছে নানা ধরনের সত্য ও মিথ্যা তথ্যকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যাতে তাদের মনে শঙ্কা তৈরী হয় এবং তারা ভুল পদক্ষেপ নেয়।

T-21: FOMO

Fear of Miss Out. মানে এমন মানসিক অবস্থা যে কোন কয়েনের দাম দেখলে মনে হয় এখনই আমার কয়েনটা কেনা উচিত নাহলে দাম এতো বাড়বে যে আমার আর ধনী হওয়া হবে না।

T-22: 24hr Volume

এটা দ্বারা বুঝানো হয় কোন কয়েন পেয়ারে বা পুরো এক্সচেঞ্জ এ গত ২৪ ঘণ্টায় কত কেনাবেচা হয়েছে।

T-23: Transactions

এর অর্থ হল কোন কয়েন রিসভ করা বা কোন কয়েন সেন্ড করা।

T-24: Transaction ID

প্রতি ট্রান্সেকশনের জন্য একটা করে ইউনিক ট্রান্সেকশন আইডি জেনারেট হয় যা দিয়ে ব্লকচেইন অই ট্রান্সেকশনকে ভেরিফাই করতে পারে। তাকেই ট্রান্সেকশন আইডি বলে। এই ব্যপারে বিস্তারিত জানতে আমাদের কিভাবে ব্লকচেইন এ কোন ট্রান্সেকশন ট্র্যাক করা হয়? এই টিউটরিয়ালটি চেক করতে পারেন।

T-25: Stable Coin

স্টেবল কয়েন মানে হল যে সকল কয়েনের দাম সব সময় একই থাকবে। এসকল কয়েন তৈরীর মূল কারন হল মার্কেটে স্টেবলিটি প্রভাইড করা। কিছু স্টেবল কয়নের নাম হলঃ USDT, TUSD, USDC, PAX, BUSD ইত্যাদি।

T-26: Pre-mine

সাধারনত কোন কয়েন মাইন বা স্টেক করলে নতুন কয়েন তৈরী চেইনে। কোন কয়েন যদি তৈরীর সময় মোট সাপ্লাই এর কিছু অংশ বা সম্পূর্ন সাপ্লাই আগে থেকেই বানানো থাকে তাকে বা সেই অংশকে Pre-mine করা কয়েন বলা হয়।

T-27: DEX- De-centralized Excahange

DEX হল De-centralized Exchange. মানে এই ধরনের এক্সচেঞ্জ এর কোন মালিকানা থাকে না। এগুলো ব্লকচেইনের উপর বেস করে উন্মুক্ত অবস্থায় থাকে তাই যে কেউ কোন প্রকার ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার না করেই কয়েন ট্রেড করতে পারে।

T-28: Currency Pair

Currency Pair বলতে দুইটি কয়েনের জোড়াকে বুঝানো হয়। একটি বেস কয়েন অপরটি যে কয়েনকে বেস কয়েনের বিপরীতে ট্রেড করা হবে সেটা। Ex: MIC3-USDT. এটা একটা কারেন্সি পেয়ার। এখানে USDT হল বেস কয়েন আর MIC3 কে USDT এর বিপরীতে ট্রেড করা হচ্ছে।

T-29: Base Currency বা Base Coin

Base Currency বা Base Coin হল সেই কয়েন যার বিপরীতে বা যার জন্য অন্য কোন কয়েন ট্রেড করা হয়। যেমন, BTC কে USDT এর জন্য ট্রেড করা হয়। তাই এখানে USDT হল বেস কয়েন কারন USDT এর জন্য BTC কে বাই-সেল করা হচ্ছে।

T-30: Base Market

Base Market হল সহজ ভাষায় একটা লিষ্ট যেখানে কোন এক্সচেঞ্জ এ কোন একটি বেস কয়েনের জন্য সকল কয়েনের লিষ্ট থাকে। মনে করা যায়, কোন এক্সচেঞ্জ এ USDT এর বিপরীতে ৫০ টি কয়েন বাই-সেল করা হচ্ছে। এই ৫০টা কয়েনের লিষ্টই হল বেস মার্কেট।

T-31: FIFO System

FIFO System এর মানে হল First in First out. অর্থাৎ যে প্রথমে অর্ডার প্লেস করবে তার অর্ডারই প্রথমে ক্লিয়ার হবে এবং যে পরে অর্ডার প্লেস করবে তার অর্ডার পরে ক্লিয়ার হবে। কারেন্সি মার্কেটে এটা সাধারনত ২ ভাবে কাজ করে। ১. Order List এ উপর থেকে নিচের দিকে অর্থাৎ বাই এর সময় সবচেয়ে কম থেকে বেশিতে এবং সেল এর সময় সবচেয়ে বেশি থেকে কমের দিকে এই সিস্টেম কাজ করে। ২. একই রেটে একাধিক অর্ডার পড়লে প্রথমে যে অর্ডার প্লেস করেছে তারটা প্রথমে ক্লিয়ার হয় তারপর যে পরে অর্ডার প্লেস করেছে তারটা পরে ক্লিয়ার হয়।

T-32: ATH

ATH হল All Time High. কোন কয়েনের দাম তার আগের সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড ভেঙ্গে আরো বেড়ে গেলে তখন সেই অবস্থাকে ATH বা All Time High বলা হয়।

শেয়ার করে বন্ধুদের জানার সুযোগ করে দিন