Cryptocurrency আর Blockchain

CryptoCurrency

Cryptocurrency হল ক্রিপ্টোগ্রাফিক কারেন্সি। ক্রিপ্টোগ্রাফী ব্যবহার করে তৈরী একধরনের ইলেক্ট্রোনিক মুদ্রা যার মাধ্যমে খুব সহজে এবং খুবই অল্প খরচে অর্থ একজনের কাছ থেকে আরেকজনের কাছে ট্রান্সফার করা যায়।

এখন প্রশ্ন আসতে পারে ক্রিপ্টোকারেন্সি তৈরীর আগেও তো আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ আদান প্রদান করতে পারতাম। তাহলে ক্রিপ্টোকারেন্সির সাথে এর ভিন্নতা কোথায়?

অনেক ভিন্নতা আছে। প্রথমত, আমরা আগে যা ব্যবহার করতাম তা সবই কোন না কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে করতে হত। যেমন একটা উদাহরন দেওয়া যাক যাতে আমরা পরিষ্কার ভাবে ধারনা লাভ করতে পারি। মনেকরি আমরা আগে Perfectmoney ব্যবহার করে অর্থ আদান প্রদান করতাম। Perfectmoney হল একটা প্রতিষ্ঠান যা মাধ্যম হিসাবে কাজ করতেসে এখানে। আপনি প্রথমে ব্যাংক থেকে Perfectmoney এর অ্যাকাউন্টে ডলার ট্রান্সফার করার পর Perfectmoney ব্যবহারকারী অন্য কারো কাছে ডলার সেন্ড করতে হত। পরিবর্তীতে অপর ব্যক্তিকে পুনরায় সেই ডলার Perfectmoeny এর অ্যাকাউন্ট থেকে ব্যাংক এ পাঠাতে হত। উদাহরনে Perfectmoney কে ব্যবহার করা হলেও প্রায় সকলেই একই রকম পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। এতে ব্যাংক এর কমিশন, মাধ্যমের কমিশন হিসাবে প্রচুর অর্থ দিতে হয় আর প্রচুর পরিমানে সময় ব্যয় হয় সিস্টেমগত জটীলতার কারনে।

অপরদিকে, ক্রিপ্টোকারেন্সির অন্যতম উদ্দেশ্যই হল, কোন মাধ্যম ছাড়া সরাসরি একজনের কাছে থেকে অন্যজনের কাছে অর্থ প্রদান করা। খুবই কম সময়ে এবং খুবই কম খরচে। এবার এক নজরে ক্রিপ্টোকারেন্সির সুবিধাসমূহ দেখে নেওয়া যাক।

  1. কোন মাধ্যম না থাকায় সরাসরি user টু user অর্থ ট্রান্সফার করা যায়।
  2. কোন মাধ্যম না থাকায় খুবই অল্প সময়ে ( বর্তমানে সর্বোচ্চ ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড ) এর মধ্যে user টু user অর্থ ট্রান্সফার করা যায়।
  3. কোন মাধ্যম না থাকায় বড় পরিমানে ট্রান্সেকশন করার ক্ষেত্রে বিশাল পরিমানে কমিশন দিতে হয় না।
  4. ক্রিপ্টোকারেন্সির অন্যতম সুবিধাগুলোর মধ্যে একটা হল, চাইলেই এর মাধ্যমে অজ্ঞাত ভাবে অর্থ আদান প্রদান করা যায় যা বর্তমানে অন্য কোন পদ্ধতিতে সম্ভব নয়।
  5. বর্তমানে ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইন্ডাষ্ট্রীগুলোর মধ্যে একটা এবং হাজার হাজার কারেন্সি থাকায় এগুলোকে একটার বিপরীতে অন্যটা বেচাকেনা করে বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করা সম্ভব।

এখন Blockchain সম্পর্কে আলোচনা করা যাক। কিন্তু তার আগে আপনারা কি জানেন, Stakecube এ বিটকয়েন বা অন্য যেকোনো কয়েন Withdraw এ কোন Fee নেই? সেই সাথে প্রতিদিন BTC, LTC, DOGE, DASH এর উপর ০.০২% ইন্টারেষ্ট প্রদান করে? এখনি জয়েন করুন STAKECUBE এ এবং এই ব্যপারে বিস্তারিত জানুন আমাদের Stakecube এর বিস্তারিত বিবরন হতে।

Blockchain

ক্রিপ্টোকারেন্সি যে পদ্ধতিকে কাজে লাগিয়ে অর্থ একজনের কাছ থেকে অন্যজনের কাছে ট্রান্সফার করে সেই পদ্ধতি বা প্রযুক্তির নাম ব্লকচেইন। এই পদ্ধতিতে কোন ট্রান্সেকশন করা হলে তা Unconfirmed অবস্থায় অন্যান্য Pending Transaction এর সাথে লিষ্টে জমা হয়। পরবর্তীতে কোন মাইনার সকল Unconfirmed Transaction থেকে কিছু ট্রান্সেকশন নিয়ে ব্লক জেনারেট করে। পাঠানো ট্রান্সেকশন ব্লকে অ্যাড হওয়ার পর তা Confirmed হয়। এই ব্লকগুলো প্রত্যেকটা আগের এবং পরের ব্লকের সাথে ব্লক হ্যাশ দিয়ে যুক্ত থাকে যা বাস্তবিক দৃষ্টিতে অনেকটা শিকলের মত। তাই এই প্রযুক্তির নামে দেওয়া হয়েছে ব্লকচেইন।

ব্লকচেইন এর সঠিক ব্যবহার শিখতে হলে আমাদের কিছু বিষয় সম্পর্কে ধারনা থাকতে হয়।

  1. Pending Transaction: যতক্ষণ পর্যন্ত কোন মাইনার পাঠানো ট্রান্সেকশনকে confirm করে কোন ব্লকে অ্যাড না করবে ততক্ষন পর্যন্ত ট্রান্সেকশনটি Pending শো করবে। মাইনারের ট্রান্সেকশন কনফার্ম করা নির্ভর করে Unconfirmed Transaction এর পরিমান এবং ট্রান্সেকশনের সময় দেওয়া Fee এর উপর। Fee বেশি দিলে ট্রান্সেকশন তাড়াতাড়ি কনফার্ম হয়। এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে ট্রান্সেকশন দ্রুত কনফার্ম করার Tips পোষ্টটি পড়ুন।
  2. Confirmation: প্রতি ট্রান্সেকশন অপর পাশের ( মানে অন্য সাইট, ওয়ালেট বা এক্সচেঞ্জ যেখানে পাঠানো হয়েছে ) ব্যালেন্সে অ্যাড হতে নির্দিষ্ট পরিমানে কনফার্মেশনের প্রয়োজন হয়। যেমন, Binance এ Bitcoin অ্যাড হতে কনফার্মেশন দরকার হয় 3 টি। আবার অনেক ওয়ালেটে ট্রান্সেকশন অ্যাড হতে কনফার্মেশন দরকার হয় 1টি। কোন সাইটে, ওয়ালেটে বা এক্সচেঞ্জ এ কোন কয়েনে কত কনফার্মেশন লাগে তা ওই সাইটেই দেওয়া থাকে। তা জেনে ব্লক এক্সপ্লোরার এ ট্রান্সেকশন চেক করতে হয়।
  3. Block Explorer: ব্লকচেইন পড়ার বা এর যে কোন তথ্য জানার উপায় হল ব্লক এক্সপ্লোরার। কিভাবে ব্লক এক্সপ্লোরার ব্যবহার করতে হয় তা জানুন Blockexplorer এর ব্যবহার এই পোষ্ট এ।
শেয়ার করে বন্ধুদের জানার সুযোগ করে দিন