Trade এর সম্পর্কে সাধারন ধারনা

Trade বলতে সাধারন ভাষায় আমরা বিনিময়কে বুঝি। কোন কিছুকে অন্য কোন কিছুর সাথে বিনিময় করাকে ট্রেড বলা হয়। ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেটেও ট্রেড শব্দটি একই অর্থে ব্যবহার করা হয়। ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেটে ট্রেড বলতে কোন একটি কয়েনকে অন্য একটি কয়েনের সাথে বিনিময় করাকে বুঝানো হয়। যেমনঃ BTC কে USD এর সাথে ট্রেড করে বিটকয়েনের দাম USD এর বিপরীতে নির্ধারন করা হয়। এভাবে প্রতিটি কয়েন অন্য কোন কয়েনের সাথে ট্রেড করে এর একটি মূল্য সৃষ্টি করা হয়।

এখন প্রশ্ন হল; ট্রেড বলতে এক কয়েনকে অন্য কয়েনের সাথে বিনিময় করাকে বুঝানো হয় ভাল কথা, তাতে আমাদের লাভ কি? বা আমরা ট্রেড কেন করব বা ট্রেড করা কেন শিখব?

এর উত্তর একেবারে সহজ আবার অনেক জটিলও বলা যেতে পারে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে ট্রেড করা শিখব বা ট্রেড করব প্রফিট করার জন্য যাতে আমরা আমাদের অলস অর্থকে ব্যবহার করে তাকে বাড়াতে পারি। জটিল ভাষায় বলতে গেলে ক্রিপ্টোকারেন্সি পৃথিবীর ভবিষ্যত। তাই সময়ের সাথে সাথে এর ব্যবহার বাড়তেই থাকবে। তখন এর বিনিময় এর আরো অসংখ্য নতুন উপায় বের হবে। আমাদের যদি এর বিনিময় এর ধারনা না থাকে তবে আমরা অন্যদের থেকে পিছিয়ে পড়ব। শুধু তাই নয় বরং তাদের শোষণের শিকার হব।

যাই হোক, এত গভীর আলোচনায় আমাদের কাজ নেই। সহজ উত্তরই আমাদের জন্য যথেষ্ট হওয়া উচিত। আমরা ট্রেড করব টাকা কামানোর জন্য।

Trade কত প্রকারের হয়?

ফরেক্স মার্কেটে নানান প্রকারের ট্রেড থাকলেও কারেন্সি মার্কেটে ট্রেড প্রধানত ২ প্রকার।

১. Fiat – Crypto: এই ক্ষেত্রে যেকোনো পেপার কারেন্সির বিপরীতে Cryptocurrency ট্রেড করা হয়। Fiat সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে Crypto Trems পেজটি ভিজিট করুন।

২. Crypto – Crypto: এই ক্ষেত্রে যেকোনো ক্রিপ্টোকারেন্সির সাথে অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সির ট্রেড করা হয়ে থাকে।

এছাড়া ট্রেডকে ট্রেডের ধরনের উপর ভিত্তি করে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়।

১. Spot Trade: এর মূল কাজ হল সরাসরি অ্যাকাউন্ট এর ব্যালেন্সের ভিত্তিতে মার্কেটে ট্রেড করা। এই ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট এ যে পরিমানে ব্যালেন্স আছে তার বেশি পরিমানে ট্রেড করা সম্ভব হয় না।

২. Margin Trade: এর মূল কাজ হল অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স এর উপর ভিত্তি করে এক্সচেঞ্জ থেকে ২ থেকে ১২৫ গুন পর্যন্ত লোন নিয়ে সাময়িক ভাবে ট্রেড করে বিশাল পরিমানে প্রফিট করা যায়। [সতর্কিকরনঃ মার্জিন ট্রেড না বুঝে কোনো মতেই করা যাবে না। এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে আমাদের Margin Trade এর বিস্তারিত পোষ্টটি পড়ুন। ]

৩. Futures Trade: এটা অনেকটা মার্জিন ট্রেড এর মত মনে হলেও এটা মার্জিন ট্রেড এর চেয়েও উপরের লেভেল এর কন্সেপ্ট। এই ট্রেডেও এক্সচেঞ্জ থেকে ২- ১২৫ গুন পর্যন্ত লোন নিয়ে ট্রেড করা যায়। এই ক্ষেত্রে ধারনা করতে হয় যে ভবিষ্যতে কয়েনের দাম সংশ্লিষ্ট কারেন্সি পেয়ারে বাড়বে না কমবে। এবং সেই হিসাবে ট্রেড করতে হয়। [সতর্কিকরনঃ ফিউচার্স ট্রেড না বুঝে কোনো মতেই করা যাবে না। এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে আমাদের Futures Trade এর বিস্তারিত পোষ্টটি পড়ুন। ]

এছাড়াও বর্তমানে আরো অনেক ধরনের ট্রেডিং সিস্টেম তৈরী হচ্ছে কিন্তু এগুলোই বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এবং সব জায়গায় প্রচলিত।

Trade এর প্রয়োজনীয়তা কি?

কারেন্সি মার্কেটে ট্রেডের প্রয়োজনীয়তা অনেক। ট্রেডাররাই ক্রিপ্টোকারেন্সি ইন্ডাষ্ট্রির অন্যতম চালিকাশক্তি। ট্রেডের কারনেই কোন কয়েন মার্কেটে মূল্য লাভ করে। ট্রেডাররা ট্রেড করার জন্য মার্কেটের নানান কয়েন কিনে হোল্ড করে তাই কয়েনের ব্যবহার সৃষ্টি হয়। এবং হোল্ড করার কারনে মার্কেটে সার্কুলেশন কমে কয়েনের। তাই কয়েনের দাম বাড়ে।

ট্রেডের মাধ্যেমেই মার্কেট থেকে নিয়মিত ভাবে টাকা কামানো যায় হোল্ড করলে প্রফিট অনেকটা ভাগ্যের উপর নির্ভর করে।

ট্রেডাররাই সবচেয়ে বেশি ট্রান্সেকশন করে থাকে ব্লকচেইন এ [ কিছু কয়েন ছাড়া ] এবং মার্কেটে সবচেয়ে বেশি মাইনিং ফী প্রোভাইড করে থাকে।

শেয়ার করে বন্ধুদের জানার সুযোগ করে দিন